মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আমাদের অর্জনসমূহ

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর স্থানীয় প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পুরণের লক্ষ্যে গবাদিপশু, হাঁসমুরগি ও দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধিসহ সংরক্ষণ, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও জাত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১.৬৬% এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১% (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬)।মোট কৃষিজ জিডিপি’তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান প্রায় ১৪.২১% (প্রাক্কলিত)। তাছাড়া ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে প্রাণিসম্পদ খাতে জিডিপির আকার ছিল ৩২,৯১০ কোটি টাকা (প্রাক্কলিত) যা বিগত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের তুলনায় ৩০২৩ কোটি টাকা বেশি (বিবিএস, ২০১৫-১৬)। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদিত কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানী আয় ছিল প্রায় ৪৩১৭.৮৬ কোটি টাকা (ইপিবি, ২০১৪-১৫)। জনসংখ্যার প্রায় ২০% প্রত্যক্ষ এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর নির্ভরশীল। অধিকন্তু প্রাণিজ আমিষের প্রধান উৎস মাংস, দুধ ও ডিমের উৎপাদন বিগত তিন বছরে যথাক্রমে ৩৬.১১%, ১৯.৪৬% ও ১৭.১৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে মাংস, দুধ ও ডিমের জন প্রতি প্রাপ্যতা বেড়ে যথাক্রমে ১০৬.২১ গ্রাম/দিন, ১২৫.৫৯ মি.লি/দিন ও ৭৫.০৬ টি/বছর এ উন্নীত হয়েছে যা দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter